OPPOSITION WALK OUT: ওয়াকআউট বিরোধীদের, মোদীর কটাক্ষ, 'মাঠ ছেড়ে পালালেন,' 'দুঃখ' পেলেন ধনখড়ও

রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণে ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা চলাকালীন, বিরোধী সাংসদরা হট্টগোল সৃষ্টি করে, স্লোগান দেয় এবং হাউস বয়কট করে। বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা বলন, বিরোধীদলের নেতাকে  কথা বলতে দেওয়া হয়নি এবং তাদেরও কথা বলার সুযোগ পাওয়া উচিত।

বিরোধী সাংসদরা হাউস থেকে বেরিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে  প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, "দেশ দেখছে যারা মিথ্যা ছড়ায় তাদের সত্য শোনার শক্তি নেই। যাদের সত্যের মুখোমুখি হওয়ার সাহস নেই, তারা পারবে নাএই বিতর্কে উত্থাপিত প্রশ্নের উত্তর শুনতে । তারা এমন সাহসও করে না। তারা উচ্চকক্ষকে অপমান করছে, তারা রাজ্যসভার গৌরবময় ঐতিহ্যকে অপমান করছে।"

বুধবার সংসদের কার্যক্রম চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্যসভায় রাষ্ট্রপতির ভাষণে ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনার জবাব দেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভাষণের সময়  বিরোধীরা তোলপাড় শুরু করে। বিরোধীদলের সংসদ সদস্যরা  LOP, LOP (বিরোধীদলীয় নেতা) করে চিৎকার করতে থাকে। কিছুক্ষণ হট্টগোলের পর বিরোধীরা ওয়াকআউট করে সংসদ ভবন থেকে বেরিয়ে যান।

রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় বিরোধীদের  ওয়াকআউটের নিন্দা করেছেন এবং বলে যে এটি দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে আঘাত করবে। আজ  হাউস ছেড়ে যাননি আপনারা,  মর্যাদা ছেড়ে গেছেন। এটা আমাদের বা আপনার অপমান নয়, এটা সংসদের অপমান। তারা আমার দিকে মুখ ফিরিয়ে যাননি, ভারতের সংবিধানের দিকে মুখ ফিরিয়েছেন। আমি খুবই দুঃখিত, ভারতের সংবিধানের এত অপমান, এত বড় পরিহাস। আমি আশা করি তারা আত্মদর্শন করবেন।

রাজ্যসভার স্পিকার বলেন, 'বিরোধী দলের নেতা আমাকে অসম্মান করেননি, তারা  যে সংবিধানের উপর শপথ নিয়েছেন তাকে অসম্মান করেছেন। এটা কীভাবে হতে পারে, এই আপার হাউস। দেশকে পথ দেখাতে হবে। আমি তাদের আচরণের নিন্দা জানাই। হাউস মানে আপনি যদি আপনার মতামত প্রকাশ করেন তাহলে শাসক দলের কথাও শুনুন।

স্পিকার জগদীপ ধানখড়ে পরে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও বিরোধীদের ওয়াকআউটকে তীব্রভাবে নিশানা করেছেন। তিনি বলেন, 'স্লোগান দেওয়া, হট্টগোল করা এবং মাঠ থেকে পালানো তাদের (বিরোধীদের) ভাগ্যে লেখা রয়েছে ১৪০ কোটি দেশবাসীর দেওয়া ম্যান্ডেট তারা হজম করতে পারছে না।

আমি কর্তব্যে আবদ্ধ - প্রধানমন্ত্রী মোদী

প্রধানমন্ত্রী মোদী আরও বলেন, 'গতকাল তাদের সব কৌশল ব্যর্থ হয়েছে। আজ তাদের লড়াই করার সাহসও নেই। আমি কর্তব্যে আবদ্ধ। আমি দেশের সেবক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন যে ১৪০ কোটি দেশবাসী তাদের সমর্থন দিয়েছে তা বিরোধীরা  হজম করতে পারছে না। গতকাল তাদের সব কৌশল ব্যর্থ হয়েছে। আজ তাদের লড়াই করার সাহসও নেই। আমি কর্তব্যে আবদ্ধ। আমি দেশের সেবক। ফার্টিলাইজার  বিষয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের কারণে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও আমরা ১২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে কৃষকদের ওপর প্রভাব ফেলতে দিইনি। আমরা কংগ্রেসের চেয়ে কৃষকদের বেশি টাকা দিয়েছি। আমরা খাদ্য সংরক্ষণের বিশ্বের সবচেয়ে বড় অভিযান হাতে নিয়েছি এবং এ দিকে কাজ শুরু হয়েছে। আমরা চাই কৃষকরা ফল ও সবজির দিকে ঝুঁকুক এবং আমরা তাদের সঞ্চয়ের দিকে কাজ করছি। সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্রে আমরা দেশের উন্নয়নের যাত্রাকে বেগবান করার চেষ্টা করেছি। স্বাধীনতার পর বহু দশকে যাদেরকে কখনো চাওয়া হয়নি, আমাদের সরকার তাদের শুধু জিজ্ঞেস করে না, তাদের পুজোও করে। প্রতিবন্ধী ভাই-বোনদের কষ্ট বুঝে মর্যাদাপূর্ণ জীবনের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। কোনো না কোনো কারণে আমাদের সমাজে একটি অবহেলিত শ্রেণী হল হিজড়া শ্রেণী। আমাদের সরকার হিজড়াদের জন্য আইন প্রণয়নের কাজ করেছে। এমনকি পশ্চিমের লোকেরাও অবাক হয় যে ভারত এত প্রগতিশীল। আমাদের সরকারও পদ্ম পুরস্কারে হিজড়াদেরও সুযোগ দিতে এগিয়ে এসেছে।

2024-07-03T08:15:43Z dg43tfdfdgfd