‘‌কেন্দ্রীয় বাহিনী বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে গুন্ডামি করছে’‌, উপনির্বাচনে মারাত্মক অভিযোগ মুকুটমণির

আজ, মঙ্গলবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে চার বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ। বিজেপি এখানে গুলি, হামলা এবং বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ তুলেছে। পাল্টা রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভার উপনির্বাচন শুরু হতেই এবার প্রত্যেকটি বুথে বুথে পরিদর্শনে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী। তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি বলেন, ‘‌এবার আমি ১০০ শতাংশ আশাবাদী। যদিও বিজেপি এবং কেন্দ্র বাহিনীকে একাধিক জায়গায় গুন্ডামি করছে।’‌ সুতরাং উপনির্বাচন নিয়ে সরগরম রাজ্য–রাজনীতি।

এদিকে বিজেপির অভিযোগ, গতকাল মাঝরাত থেকে পায়রাডাঙায় হামলা শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দুষ্কৃতীরা বাড়ি ভাঙচুর করেছে, দু’‌রাউন্ড গুলি চালিয়েছে এবং মারধর করেছে পোলিং এজেন্টকে। পাল্টা সকালে ভোট দিয়ে বেরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী বলেন, ‘‌কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতা অত্যন্ত দৃষ্টিকটূ। উপনির্বাচনে প্রত্যেকটি বুথে চারজন করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান রয়েছেন। সঙ্গে রাজ্য পুলিশও আছে। রাজ্য পুলিশ সহযোগহিতা করছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে গুন্ডামি করছে। কারও কারও বাড়ির মধ্যেও ঢুকে যাচ্ছে। হিজুলি ১ নম্বর অঞ্চলে ১১৬, ১১৭, ১১৮ নম্বর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী বুথের মধ্যে ঢুকে বিজেপির হয়ে দালালি করছে। তাই লড়াই যথেষ্টই কঠিন।’‌

আরও পড়ুন:‌ উপনির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ‘হামলা’, পায়রাডাঙা নিয়ে রিপোর্ট তলব কমিশনের

অন্যদিকে রানাঘাট বিধায়ক পদ খালি হয়ে যায় মুকুটমণি অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায়। তিনি বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হন। তারপর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে সাংসদ হিসাবে প্রার্থী হন। কিন্তু এবারের লোকসভা নির্বাচনে তিনি হেরে যান। তাই বিধায়ক শূন্য হওয়ায় আবার উপনির্বাচন হচ্ছে। আর তা নিয়েই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রানাঘাট। যদিও মুকুটমণি অধিকারীর অভিযোগ, ‘‌বিজেপি গেরুয়া জঙ্গিদের এখানে ঢোকাচ্ছে। বিজেপি বজরং দলের সদস্যদের রানাঘাটে ঢোকাচ্ছে। একইসঙ্গে বিজেপির ছেলেরাও নানা জায়গায় ঢুকে হামলা করছে বলে খবর। কিন্তু আমরা নো ভায়োলেন্সের পক্ষে।’‌

এছাড়া বিজেপি এইসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। হেরে যাবে বুঝতে পেরে মুকুটমণি ভুলভাল বকছেন বলেও মন্তব্য করা হয়েছে। এই বিষয়ে বিজেপির সাংসদ জগন্নাথ সরকারের বক্তব্য, ‘‌লোকসভা নির্বাচনে হেরে গিয়ে মুখ পুড়েছে। আবার উপনির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন। এবারও তিনি হারবেন। তিনি আগাম সেটা বুঝতে পেরে গিয়েছেন। তাই ভুলভাল কথা বলা শুরু করেছেন। এসব কথা বলে কোনও লাভ নেই।’‌

2024-07-10T06:01:29Z dg43tfdfdgfd